মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
কোতোয়ালি থানার সফল অভিযান সিআরবিতে হালিমের লটারির নামে জুয়ার ব্যাবসা গুড়িয়ে দিল ওসি আফতাব উদ্দিন
মোঃ শাহরিয়ার রিপন ঃ- চট্টগ্রাম ১০ মার্চ ২০২৬ইং
কোতোয়ালি থানা এলাকার গোয়াল পাড়ায় সিআরবি ফাঁড়ির ২শো গজ দুরে হালিম নামের এক জুয়াড়ি দির্ঘদিন ধরে লটারির নামে জুয়ার ব্যাবসা পরিচালনা করে আসছিল এমনি এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন
সাথে সাথে ফোর্স পাঠিয়ে তার জুয়ার ব্যাবসা গুড়িয়ে দিয়ে তাকে আটক করেছেন।
সি,আর,বি,ফাঁড়ির পুলিশ কনস্টেবল রিয়াজকে (ক্যাশিয়ার খ্যাত) ম্যানেজ করে (তার কাছে জানতে চাইলে তিনি সম্পুর্ন অস্বীকার করেন,তিনি বলেন এগুলোর ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা আমি একজন নিয়মিত কনস্টেবল মাত্র) প্রতিদিন কয়েক হাজার টাকার কোটায় প্রশাসনের নিরবতায় কোতোয়ালি থানার গোয়াল পাড়া এলাকায় বাজারের পুর্ব পাশে রাস্তার উপরে হালিম ও তার সহযোগী জুয়াড়িরা মিলে দির্ঘদিন ধরে ঐ এলাকায় লটারির নামে প্রকাশ্যে জুয়ার ব্যাবসা পরিচালনা করে আসলেও প্রশাসনের নিরব ভূমিকা এলাকায় জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয় ।
খেটে খাওয়া অসহায় সরল সোজা দিনমজুর ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ গুলোকে বোকা বানিয়ে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা,
হালিম ও তার সহযোগীদের অভিনব কৌশলে বোকা হচ্ছে সাধারণ মানুষেরা, লটারির ভ্যানের উপর চাউল,ডাউল, আটা, ময়দা থেকে শুরু করে হরেক রকমের পশরা সাজিয়ে,
প্রতি দুই তিন টানের পরপর দেওয়া হয় ২৫ কেজি ৫০ কেজি চাউলের বস্তা ৫ কেজি সয়াবিন তৈল, কিন্তু সেগুলো যারা পায় তারা সবাই তাদের সেটিং করা মানুষ, আকর্ষনের জন্য বারবার চাউলের বস্তা, ও ৫ লিটার তৈল, দেওয়ার নাটক সাজায়, যখনে এলাকার মহিলা ও পুরুষেরা টাকা ধরা শুরু করে আর কিছুই জোটে না তাদের কপালে সবাই একবস্তা চাউলের আসায় সারাদিনের ইনকাম টুকুও হারিয়ে হায় হায় করে মাথায় হাত দেন, পবিত্র রমজান মাসে গরিব অসহায় মানুষের আয় রোজগার এমনিতেই শুণ্যের কোটায়, তারপরও হালিম ও তার সহযোগীদের প্রতারণার শিকার হতে হচ্ছে তাদের।
এব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন কে বিষয়টি জানালে তিনি এই প্রতিবেদককে ফোনে লাইনে রেখে তাকে দ্রুত এ্যারেস্ট করার জন্য বলেন। এবং ডিউটি অফিসার ওসির নির্দেশে আটক করেন।
সিন্ডিকেটের মুলহোতা হালিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, আমি সি,আর,বি ফাঁড়িতে প্রতিদিন কোটা দিয়া ব্যবসা করি।
দিনমজুর হমিদ সারাদিনের ইনকামের টাকা হারিয়ে বলেন, এখান থেকে যে কেউ গেলে তাদেরকে জোর করে খেলতে বাধ্য করে,
এখানে কেউ কথা বললে মারপিট করে,তাই ভয়ে কেউ মুক খুলে না,আপনারা পারলে নিউজ করে পুলিশ কমিশনার স্যারকে জানান,
এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের দাবি এই এলাকায় দির্ঘদিন ধরে এগুলো চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়না কোন ব্যবস্থা,
এব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন বলেন,কোতোয়ালি থানা এলাকায় মদ জুয়া ও মাদকের স্পট এবং সন্ত্রাস দমনে আমরা জিরো টলারেন্স এসব ব্যাপারে কাউকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার এ অভিযানে এলাকায় ভূয়সী প্রশংসায় ভাসছেন ওসি আফতাব উদ্দিন।